tech লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
tech লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৫

কোডিং শিখবে যমুনা চরের অবহেলিত শিক্ষার্থীরা

কোডিং শিখবে যমুনা চরের অবহেলিত শিক্ষার্থীরা

হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ’র অর্থায়নে এবং শিশুদের জন্য কোডিং ক্লাস পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ড্রিমার্স একাডেমির প্রশিক্ষণের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের দুর্গম যমুনা চর শুশুয়া গ্রামের ১১-১৪ বছর বয়সী ২০ জন শিক্ষার্থীকে বছরব্যাপী কোডিং শিখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ উপলক্ষে শুশুয়ায় একটি কম্পিউটার ল্যাব তৈরি করা হয়েছে, এখানে ১১টি ল্যাপটপ, প্রজেক্টর, আইপিএস, ইন্টারনেট সংযোগসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হয়েছে। ড্রিমার্স একাডেমির প্রশিক্ষকরা অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

এই উপলক্ষে রবিবার (৫ অক্টোবর) শুশুয়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সংলগ্ন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভুঞাপুর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা নাজমুল হাসান সোহাগ, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, ড্রিমার্স একাডেমির চেয়ারম্যান, এবং শুশুয়া ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোমিনুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দুর্গম যমুনা চরে কোডিং শিখানোর এই প্রকল্প একটি বিশাল অগ্রগতি। এর মাধ্যমে যমুনা চরের অবহেলিত শিক্ষার্থীরা শহরের শিশুদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যেতে পারবে।

হিউম্যান কনসার্ন ইউএসএ’র সিইও মাসুম মাহবুবুর রহমান বলেন, “কোডিং শেখার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হবে। শিক্ষার্থীরা মোবাইল ও কম্পিউটারের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা শিখতে পারবে। এর মাধ্যমে তারা উন্নত জীবন গড়তে পারবে। ভবিষ্যতেও কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে চরের যুবকদের দক্ষ জনবল হিসেবে গড়ে তোলা হবে।”

শুক্রবার, ১২ মে, ২০২৩

মনো ও পলি সোলার প্যানেল চেনার উপায় কি?

মনো ও পলি সোলার প্যানেল চেনার উপায় কি?


 মনো ও পলি সোলার প্যানেল মধ্যে পার্থক্য কি?

সিলিকন-ভিত্তিক সোলার প্যানেলে দুটি বড় প্রযুক্তি এখনও মনো এবং পোলি । এখানে সৌর নেতৃস্থানীয় আমরা উভয় আছে।

কিন্তু পার্থক্য কি? এবং কিভাবে আপনি আপনার এবং আপনার সোলার প্রকল্পের জন্য সেরা কোনটি জানেন?
মনো এবং পলি সোলার প্যানেলের মধ্যে পার্থক্য তারা তৈরি করা হয় এমন কোষগুলিতে আসে। মোনো এবং বহু কোষের সিলিকনটি বিভিন্ন উত্পাদন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়, যা সামান্য ভিন্ন কর্মক্ষমতা বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে প্যানেল তৈরি করে। এই পার্থক্যগুলি বোঝার জন্য আপনাকে আপনার প্রকল্পের জন্য ডান প্যানেলটি নির্বাচন করতে সহায়তা করবে।
মোনো ক্রিস্টালিন সোলার প্যানেল
মোনো ক্রিস্টালিন সোলার প্যানেলগুলি (মোনো-সি, মোনো) সিলিকন থেকে তৈরি করা হয় যা 'ক্রোক্রালস্কি প্রক্রিয়া' এর মাধ্যমে একক স্ফটিকের 'উত্থাপিত' হয়েছে। স্ফটিক তারপর ছাঁটা হয়, wafers মধ্যে কাটা এবং সৌর কোষ গঠন চিকিত্সা। ক্রিস্টালের আকৃতির কারণে, মোনো কোষগুলি 'কোণ কাটা' স্বতন্ত্র বলে মনে করে।

মোনো কোষগুলি এই কাটা বন্ধ কোণগুলি এবং একটি মসৃণ এমনকি কালো রঙ দ্বারা সনাক্ত করা সহজ।
তারা যে মোলো প্যানেলগুলি পলি প্যানেলে তুলনায় আরও দক্ষ হতে পারে তবে আরো ব্যয়বহুল। এর মানে হল যে আপনি যদি একটি মোনো প্যানেল এবং একই আকারের একটি পলি প্যানেল গ্রহণ করেন এবং একই হালকা অবস্থানে রেখে যান তবে মোনো প্যানেলটি আরও শক্তি তৈরি করবে। তবে, যে শক্তিটি প্রতি ওয়াট প্রতি আরো বেশি খরচ করবে কারণ এটি তৈরি করা প্যানেলটি আরো ব্যয়বহুল।
আউটপুট এবং খরচ বন্ধ এই বাণিজ্য প্রায়ই জায়গা সীমিত যেখানে প্রকল্পে মূল্য। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছোট ছাদ সহ একটি বাড়ির মালিক দীর্ঘদিনের মধ্যে তার সিস্টেম থেকে সর্বাধিক শক্তি সঙ্কুচিত করার জন্য আরও ব্যয়বহুল মোনো প্যানেলগুলি ব্যবহার করতে পছন্দ করতে পারে।
পলি ক্রিস্টালিন সোলার প্যানেল
পলি স্ফটিক প্যানেল (বহু-সি, বহু) একটি একক স্ফটিক থেকে সিলিকন ব্যবহার করবেন না। পরিবর্তে, সিলিকন একাধিক উত্স থেকে নেওয়া হয়, এবং একটি সিলিকন 'ingot' 'নিক্ষেপ' তীব্র তাপ এবং চাপ অধীন। এই খাদ তারপর ওয়েফার মধ্যে sliced এবং বহু কোষ তৈরি চিকিত্সা করা যেতে পারে।

পলি কোষগুলি তাদের প্রতিফলিত 'ফ্লাকি' নীল পৃষ্ঠ দ্বারা স্বীকৃত করা সহজ ছিল তবে নতুন উত্পাদন প্রক্রিয়াগুলি তাদের প্রতি মনোনিবেশ প্যানেলগুলির মত আরো বেশি দেখায়।
তারা তৈরি পলি সৌর প্যানেল একই আকারের মোনো প্যানেল চেয়ে কম দক্ষ এবং কম ব্যয়বহুল হতে থাকে। এগুলি তাদের ইনস্টলেশনের জন্য উপযুক্ত যেখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার সামগ্রিক আউটপুট নয় তবে প্রতি ইউনিট খরচ বা বিনিয়োগের উপর ত্বরান্বিত ফেরত হয়। উদাহরণস্বরূপ, অনেক বড় বাণিজ্যিক ও ইউটিলিটি স্কেল সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলি পল প্যানেলগুলি ব্যবহার করে তাদের সিস্টেমের পরিশোধের সময়সীমা কমানোর জন্য কমপক্ষে প্রতি ওয়াট বিদ্যুত উত্পাদন করতে পারে।
পলি প্যানেলগুলিও সামান্য বেশি ব্যর্থতার হার এবং সামান্য জীবন স্প্যানগুলি মোনো প্যানেলের চেয়েও কম থাকে, তাদের আউটপুট ধীরে ধীরে পঁচিশ থেকে ত্রিশ বছর ধরে হ্রাস পায়। এটি সাধারণত বড় ইনস্টলেশনের জন্য গ্রহণযোগ্য রক্ষণাবেক্ষণ খরচ হিসাবে দেখা হয়েছে। সৌর বিনিয়োগকারীদের বুঝতে হবে যে পঞ্চাশ বছর পর, তাদের প্যানেলগুলি বিদ্যুৎ উৎপাদিত ও বিক্রি হয়ে গিয়েছিল বহুবার তাদের জন্য। এছাড়াও, ভবিষ্যতে এ পর্যন্ত, সৌর প্রযুক্তি সেই বিন্দুতে অগ্রসর হতে পারে যেখানে প্রতিস্থাপিত প্যানেলগুলি আগের চেয়ে অনেক কার্যকরী এবং কম ব্যয়বহুল হবে।

বৃহস্পতিবার, ১১ মে, ২০২৩

সোলার প্যানেল (Solar Panel) ব্যবহারের কিছু সুবিধা ও অসুবিধা

সোলার প্যানেল (Solar Panel) ব্যবহারের কিছু সুবিধা ও অসুবিধা



সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়িনিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিকল্প মাধ্যম। কম বেশি আমরা সবাই জানি সোনাল প্যানেল সূর্যের তাপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে। সোলার প্যানেল যেমন ব্যবহারের বেশ কিছু সুবিধা আছে, তেমনি আবার এটি ব্যবহারে বেশ অসুবিধাও রয়েছে। এটি ব্যবহার বা কিনতে হলে কত টাকার প্রয়োজন হবে; আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে আমরা বিস্তারিত জানবো। 




সোলার প্যানেল (Solar Panel) কি?

সোলার প্যানেল হচ্ছে রাসায়নিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপন্নের বিকল্প একটি মাধ্যম। অথাৎ সূর্য্যের তাপ কে ফটোভোলটাইক এ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার মাধ্যমই হলো সোলার প্যানেল। সোলার প্যানেল শক্তির উৎস হিসেবে সূর্যের আলোকে শোষণ করে। সোলার প্যানেল সূর্যের তাপশক্তি শোষণ করে বৈদ্যুতিক প্রবাহ  তৈরি করে। মূলত একটি গ্লাস লেয়ারের সাথে ইন্সুলেট লেয়ার এবং প্রতিরক্ষামূলক সীট এর সমন্বয়ে সোলার প্যানেল তৈরি হয়। যার উপর সূর্যের আলো পড়ে এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। অথাৎ এক কথায় আমরা বলতে পারি সূর্যের তাপের সৌরশক্তি শোষণ করে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে এই সোলার সিস্টেম। 

সোলার প্যানেল কত প্রকার?

সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদনই হলো সোলার সিস্টেমের কাজ। এই সোলার সিস্টেম সাধারণত দুটি পদ্ধতিতে অথাৎ দুই রকমে কাজ করে। তাই সোলার সিস্টেম সাধারণত দুই প্রকার।
যথা: ১) অনগ্রীড সোলার সিস্টেম ২) অফগ্রীড সোলার সিস্টেম 

সোলার প্যানেল ব্যবহারের সুবিধা সমূহ

সোলার সিস্টেম ব্যবহারের অনেক সুবিধা বিদ্যমান। কারণ সৌর প্যানেল মূলত সৌরশক্তির উপর নির্ভর করে। ইটি রোদের চাপে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। সোলার প্যানেল বাড়ির ছাড়ে অথবা রৌদ্র পায় এমন জায়গায় রাখা যায় বা রাখতে হয়। এটি মূলত পরিবেশ বান্ধব শক্তির উৎস। এটি দীর্ঘ মেয়াদী এবং স্থায়ীও বটে। রাসায়নিক ভাবে তৈরি বিদ্যুৎ অনেক সময় ই থাকে না। অথাৎ আমাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রয়োজনের সময় আমরা বিদ্যুৎ পাই না। সেই সময় গুলোতে এই সৌর প্যানেল বা সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে পারি। যেমন ঘরের আলো, ছোট আকৃতির ফ্যান, লাইট প্রভুতি চালাতে পারি। 

সোলার প্যানেল এর অসুবিধা সমূহ

সোলার প্যানেল ব্যবহারের যেমন সুবিধা রয়েছে তেমনি এর অসুবিধাও বিদ্যমান। সোলার প্যানেল বসানোর সময় এককালীন অনেক টাকা খরচ হয়। এটি মূলত বাড়ির ছাদে বা ঘরের চালের উপর বাখতে হয়। যেখানে অনেকটা ফাকা জায়গা খেয়ে  ফেলে। সৌর প্যানেল যেহেতু একমাত্র সূর্যের আরোর উপর নির্ভরশীল তাই যদি সূর্যের আলো না থাকে তাহলে এটি ব্যবহার করা যায়। বিশেষ করে শীতের দিন এবং বৃষ্টিরদিনগুলোতে প্রচুর ঝামেলায় পড়তে হয়। তবে অসুবিধা থাকলেও রাসায়নিক ভাবে তৈরি বিদ্যুৎ এর পাশাপাশি বাড়িতে একটি সোলার প্যানেল রাখলে খুবই উপকার হয়। সেই দিক বিবেচনায় সোলার প্যানেল এর অসুবিধার চেয়ে সুবিধাই বেশি। 

সোলার প্যানেল (Solar Panel) এর ব্যবহার

সোলার প্যানেল মূলত ব্যাটারি চার্জ করতে ব্যবহার করা হয়। অথাৎ তাপশক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করতে এই সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হয়। শুধুমাত্র সোলার প্যানেল দিয়ে কিছুই হয় না। সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে একটি প্যানেল এর সাথে বিদ্যুৎ বা চার্জ ধরে রাখার জন্য একটি ব্যাটারিও রাখতে হয়। অথাৎ সোলার প্যানেল দিয়ে ওই ব্যাটারি চার্জ করে ব্যবহার করা হয়। 

ভাল সোলার প্যানেল কোনটা?

আপনি যদি সাধারণত ছোট আকারের ইনভার্টার ব্যাটারি চার্জ করার জন্য সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে চান তাহলে ১০ ওয়াট থেকে ৪০ ওয়াট এর সোলার প্যানেল ব্যবহার করতে পারেন। এর বাহিরে যদি আপনি বিদ্যুৎ বিল কমাতে চান তাহলে আপনাকে বেশি এমপিআর যুক্ত ব্যাটারি নিয়ে বেশি ওয়াট এর সোলার প্যানেল নিতে হবে। অথাৎ আপনি আপনার ব্যাটারির কনফিগার অনুযায়ী ১০ থেকে ৪০ ওয়ার্ট আবার ৮০ ওয়াট ও পছন্দ করতে পারেন। এছাড়াও বেশি অ্যাপ্লায়েন্সগুলির জন্য ৩৩০ থেকে ৪৩০ পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারেন। 

সোলার প্যানেল এর দাম কত?

সোলার প্যানেল এর দাম সাধারণ ওয়াট প্রতি হয়ে থাকে। সাধারণত সোলার প্যানেল বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াট প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা বা এর গুণগত মান এর দিকে যেগুলো আরো ভালো সেগুলো আরো একটি বেশি দারে বিক্রয় করে থাকে। তবে ভালো একটি কোম্পানীর জিনিস দাম একটু বেশি হলেও অবশ্যই সেটি টেকসই ও ভালো হয়। 

সোলার প্যানেল ব্যবহারের আগে যা জানা খুবই জরুরী

সোলার প্যানেল শুধু ব্যবহার করলেই হবে না এর ব্যবহার সম্পর্কে বেশকিছু বিষয়ের দিকে খেয়ালও রাখতে হবে। তা না হলে খুব তাড়াতাড়িই একটি সোলার প্যানেল নস্ট হয়ে যায়। সোলার প্যানেল নষ্ট হওয়ার জন্য কারণ নিম্নে আলোচনা করা হলো। 

সোলার প্যানেল নষ্ট হওয়ার কিছু কারণ:

সোলার প্যানেল এমন স্থানে বসাতে হবে যাতে সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণে সূর্যের আলো পায়। কেননা সোলার প্যানেল সূর্যের আলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত আলো থেকেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করে থাকে। আমরা যদি সোলার প্যানেল সূর্যের আলো পায় এমন জায়গায় না রাখি তাহলে সোলারে সূর্যের তাপ এসে পৌছাবে না। যার দরুণ কোন বিদ্যুৎও উৎপন্ন হবে না। এভাবে যদি সোলার প্যানেল দিনের পর দিন ছায়াযুক্ত জায়গায় পড়ে থাকে তাহলে এটা অল্প দিনেই এর কার্যক্ষমতা হারাতে পারে। তাই আমাদের উচিত ভালো রোদ পায় এরকম জায়গায় সোলার প্যানেল বসানো। 

প্যানেল এর ওয়াট এর থেকে বেশি এমপিয়ার ব্যাটারি ব্যবহার করা:

বেশি এমপিয়ার এর ব্যাটারী ব্যবহারের কারণেও  সোলার প্যানেল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কারণ ব্যাটারি এবং সোলার প্যানেল মূলত কনফিগার করে বসাতে হয়। ধরুন আপনি ৫০ ওয়াট এর একটি সোলার প্যানেল বসালেন এবং তার সাথে ১৫০ ওয়াট এর ব্যাটারি যুক্ত করলেন। এখন ভাবুন সেটা কি কখনও লোড সঠিক ভাবে  দিতে পারবে। অন্য আরেকটা বিষয় দিয়ে আমরা বুঝবো। ধরুন আপনি ৪০ কেজির একটা বস্তা একা আপনার মাথায় তুলে নিয়ে যেতে পারেন। এবার আপনাকে যদি ৮০ কেজির বস্তা মাথায় তুলে নিয়ে যেতে বলা হয় তাহলে কি আপনি পারবেন। আমার মনে হয় পারবেন না। ঠিক সোলার প্যানেল ও ব্যাটারির কনফিগার একই রকম। অথাৎ সোলার প্যানেল যে লোড নিতে পারবে বা দিতে পারবে তার মাপ অনুযায়ী ব্যাটারি কনফিগার করতে হবে। তা না হলে সোলার প্যানেল অতিরিক্তি লোড এর ফলে অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 

ক্যাপাটিসির বেশি লোড দেওয়া:

সোলার প্যানেল ক্যাপাসিটির বেশি লোড দেওয়ার ফলে অনেক সময় বেশি ভালো পারফরম করতে পারে না। ফলে এটি অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যায়। 

রক্ষণাবেক্ষণ এর অভাব:

পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ এর অভাবেও সোলার প্যানেল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকে। আমরা অনেক ক্ষেত্রেই দেখি যে বৃষ্টির মৌসুমে ঝড় বৃষ্টির সময় সোলার প্যানেল গাছের পাতা দিয়ে ডেকে গেছে। কিন্তু আমরা ভুলেও তাহা পরিষ্কার পরি না। পরিস্থিতিতে সোলার প্যানেল নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। 

পরিশেষে বলা যায় সোলার প্যানেল একটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী বিকল্প মাধ্যম এবং এটি ব্যবহারে অনেক খরচা কমানো সম্ভব। সোলার প্যানেল পরিবেশ বান্ধবও বটে। এর সামান্য কিছু অসুবিধা বিদ্যমান থাকলেও সুবিধাই বেশি। তবে সঠিক যত্ন তথা রক্ষনাবেক্ষন করলে এর উপকারিতাই বেশি। 
সোলার প্যানেল কি, কিভাবে বাড়িতে ইনস্টল করবেন Solar Panel Buying Guide For Home

সোলার প্যানেল কি, কিভাবে বাড়িতে ইনস্টল করবেন Solar Panel Buying Guide For Home

 

বর্তমান পৃথিবীতে বৈদ্য়ুতিক শক্তি মানুষেব সবথেকে প্রয়োজনীয় জিনিষ গুলিব মধ্য়ে একটি। জল এবং অক্সিজেনেব পরে এর স্থান এহি কথাটি বললে হয়তো খুব একটা ভুল বলা হবে না। বৈদ্য়ুতিক শক্তি আমাদের উৎপন্ন করতে হয়। বৈদ্য়ুতিক শক্তির চাহিদার সাথে সাথে এর উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণ। সূর্য এক বিশাল বড় নিউক্লিয়ার পাওয়ারের গোলা। পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রত্যেক বর্গমিটারে সূর্য প্রায় ১ হাজার ওয়াট বিদ্যুৎ শক্তি বর্ষিত করে। যাকে কাজে লাগিয়ে সম্পূর্ণ পৃথিবীর বিদ্যুৎ চাহিদা প্রাকৃতিকভাবে মেটানো সম্ভব। একমাত্র সোলার প্যানেল এর মাধ্যমেই এই শক্তিকে উৎপাদন করা সম্ভব। এই সব কথা মাথায় রেখে সৌর বিদ্য়ুৎ  উৎপাদন এর জন্য় সোলার প্য়ানেল তৈরি করা হয়েছে।

সোলার প্যানেল হল ইন্টারকানেক্ট সিলিকন সোলার সেলর একটি সংগ্রহ যা সার্কিট গঠন করে। যা ফটোভোলটাইক সোলার মডেল, সোলার প্লেট, সোলার পিভি মডেল এবং সোলার পাওয়ার প্যানেল ইত্যাদি নামেও পরিচিত। সোলার প্যানেল সূর্যালোক শোষণ করে এবং বৈদ্যুতিক প্রবাহ উৎপন্ন করে, যা DC তারের মাধ্যমে আপনার বাড়ির উপকরণগুলিতে সরবরাহ করে। প্যানেলের সামনে একটি গ্লাস লেয়ার সাথে ইন্সুলেট লেয়ার এবং প্রতিরক্ষামূলক ব্য়াক শীট থাকে। সোলার প্যানেল একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।

আমরা দেখি খোলা মাঠে কিংবা বাসার ছাদে কতগুলো কালো বোর্ড এর মতো বস্তু থাকে। যার উপর সূর্যের আলো পড়লে সেখান থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এগুলোয় হলো সোলার প্যানেল। যার কাজ সৌর শক্তিকে শোষণ করে তা বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করা।

সোলার প্যানেল কিভাবে কাজ করে? [How do Solar Panels Work?]

আপনি আপনার আশেপাশের ছাদে সোলার প্যানেল দেখে থাকবেন, কিন্তু আপনি কি জানেন সেগুলি কীভাবে কাজ করে? চলুন এর বিষয় জানা যাক। সোলার প্যানেল সিলিকন সেল্স দিয়ে তৈরি। যখন সূর্যের আলো সোলার প্যানেলে পড়ে, তখন সোলার সেলর ইলেকট্রনগুলি গতি করতে শুরু করে, যা বিদ্যুতের প্রবাহ শুরু করে। এটা হচ্চে ডিরেক্ট কারেন্ট, যা ডিসি বিদ্যুৎ নামেও পরিচিত।

আমাদের বেশিরভাগ বাড়ির উপকরণগুলি ডিরেক্ট কারেন্ট দ্বারা চালিত হতে পারে না। সোলার পাবারর ব্য়বহারের জন্য় সোলার ইনভার্টার ডিরেক্ট কারেন্ট কে অল্টারনেটিং কারেন্ট এ রূপান্তর করে বেশিরভাগ বাড়ির বিদ্যুতে উপকরণগুলি কে চালিত করতে সাহায্য করে।

সোলার প্যানেল ইনস্টল করার উদ্দেশ্য [Purpose of Installing Solar Panels]

সোলার প্যানেল বসানোর মূল উদ্দেশ্য হল বিদ্যুৎ বিল কমানো। যদি বাড়িতে বিদ্যুৎ না থাকে তাহলে, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স জিনিস চালাতে সোলার প্য়ানেল ব্য়বহার হয়। সোলার প্য়ানেল ব্য়বহারর খরচ অনেক কম হয়। যদি আপনি একবার সোলার প্য়ানেল বসিয়ে নেন, তাহলে মাসে মাসে বিদ্যুৎ বিল দেওয়া ঝামেলা থেকে মুক্ত হবেন।

3 প্রকারের সোলার সিস্টেম [Types of Solar System]

আমরা অনেকেই জানি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে ইলেকট্রিসিটি তৈরী করা যায় এবং ওই ইলেকট্রিক শক্তি কে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারি। কিন্তু এই সোলার সিস্টেম লাগানোর সময় আমরা প্রায়ই বুঝতে পারিনা কোন সোলার লাগানো উচিত। অন গ্রীড সোলার সিস্টেম (On Grid Solar System) নাকি অফ গ্রীড সোলার সিস্টেম (Off Grid Solar System) না হাইব্রিড সোলার সিস্টেম (Hybrid Solar System)? তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এই সব বিষয়ে...

a. অন গ্রিড সোলার সিস্টেম (On Grid System)

অনগ্রিড সোলার সিস্টেমে কোনো রকমের ব্যাটারী ব্যবহার করা হয়না। সোলার প্যানেল কে ইনভার্টারের মাধ্যমে সরাসরি বাড়ির ইলেকট্রিক কানেক্শনের সংগে যুক্ত করা হয়। অর্থাৎ আপনার বাড়িতে যদি প্রথম থেকেই ইলেক্ট্রিটিসি থাকে তাহলেই অনগ্রিড সোলার সিস্টেম লাগানো যেতে পারে। এটি ইলেকট্রিক বিল কম করতে সাহায্য করে। যখন ইলেকট্রিসিটি থাকবে তখনি সোলার থেকে আগত ইলেকট্রিক শক্তি আপনার বিভিন্ন উপকরণগুলিকে চালিত করতে সাহায্য করবে।

বাড়ির ইলেক্ট্রিসি চলে গেলে এই সোলার কোনোভাবেই ইলেকট্রিসিটি প্রদান করবে না। এক লাইনে বলতে গেলে একটি ইলেকট্রিক গ্রিড এর সঙ্গে যুক্ত থাকে। শুধুমাত্র শহরাঞ্চলে এগুলি ব্যবহার করা হয়ে থাকে ইলেকট্রিক বিল কম করার জন্য। গ্রামের কোনো প্রতন্ত অঞ্চলে যেখানে বিদ্যুৎ পৌছোয়নি ওই সব জায়গায় অন গ্রিড সোলার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারবেন না।

2.অফ গ্রীড সোলার সিস্টেম (Off Grid System)

অফ গ্রীড সোলার সিস্টেম এ সোলার থেকে ইলেকট্রিক শক্তি কে ব্যাটারী এর মধ্যে সঞ্চিত করে রাখা হয়। অর্থাৎ সূর্যের আলো দিনের বেলায় সোলারের ওপর পড়বে এবং সোলার থেকে আগত ইলেকট্রিক শক্তি দ্বারা ব্যাটারী চার্জ করা হবে। এবং ওই চার্জ ব্যাটারীর সঙ্গে ইনভার্টার অথবা কনভার্টার ব্যবহার করে ব্যাটারির মধ্যে সঞ্চিত ইলেক্টিক শক্তি কে নির্দিষ্ট ভোল্টেজ কে নিয়ন্ত্রীত করে সঠিক পরিমান বৈদ্যুতিক শক্তি বিভিন্ন উপকরণগুলিকে প্রদান করে। এবং এভাবেই বাড়িতে পাখা, লাইট ইত্যাদি অফগ্রিড সোলার এর মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়।

3.হাইব্রিড সোলার সিস্টেম (Hybrid Solar System)

হাইব্রিড সোলার সিস্টেম অন গ্রিড সোলার সিস্টেম এবং অফ গ্রিড সোলার সিস্টেম উভয় হিসাবে কাজ করতে সক্ষম। যেটিতে আপনি সোলার প্যানেল থেকে আসা ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবহার করে আপনার হোম অ্যাপ্লায়েন্স চালাতে পারবেন এবং ব্যাটারি চার্জ করতে পারবেন এবং যদি বেশি বিদ্যুত আসে তাহলে তা ফেরত পাঠিয়েও আপনার বিদ্যুৎ বিল কমাতে পারবেন।

এই সোলার সিস্টেমে, যখন আপনার ব্যাটারি সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে যায়, তখন সোলার সিস্টেম থেকে আসা বিদ্যুৎ ঘরে থাকা উপকরণগুলিকে চালানো শুরু করে, যার ফলে আপনার মেইন বিদ্যুতের ব্যবহার অনেক কমে যায়। এর সাথে আপনার সোলার সিস্টেম যত বেশি ইউনিট বিদ্যুৎ গ্রিডে পাঠাবে, বিদ্যুৎ বিল তত কম আসবে।

সোলার সিস্টেম এর প্রডাক্ট

2.লিথিয়াম ব্যাটারি (Lithium Battery)

যে ব্যাটারিতে অ্যানোড রূপে লিথিয়াম থাকে তাকে লিথিয়াম ব্যাটারি বলে। ডিসচার্জের সময় চার্জটি অ্যানোড থেকে ক্যাথোডে এবং চার্জ করার সময় ক্যাথোড থেকে অ্যানোডে চলে যায়। লিথিয়াম ব্যাটারি 1980-1990 এর দশকে চালু হয়েছিল। এই ব্যাটারিগুলি সেলুলার টেলিফোন এবং ল্যাপটপ কম্পিউটারের মতো পোর্টেবল ইলেকট্রনিক্স বাজারে সম্পূর্ণভাবে বিপ্লব ঘটিয়েছে। আজ লিথিয়াম ব্যাটারিগুলি ইলেকট্রনিক্স, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং সৌর বাজারে বেশি ব্য়বহার হচ্চে। এর লাইটওয়েট, উচ্চ শক্তির ঘনত্ব এবং দক্ষতার কারণে, লিথিয়াম ব্যাটারিগুলি পোর্টেবল কনজিউমার ইলেকট্রনিক ডিভাইস, চিকিৎসা সরঞ্জাম, পাওয়ার ব্যাকআপ, সোলার স্টোরেজ এবং বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিস্তৃত পরিসরে ব্যবহৃত হয়।

দুর্গম অঞ্চল যেখানে বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না, যেমন গ্রামীণ এলাকা, পাহাড়ি স্টেশন, ছোট দোকান ইত্যাদি পরিবেশ-অনুকূল সোলার সিস্টেমের সাথে এই লিথিয়াম ব্যাটারিগুলিকে স্টোরেজ বিকল্প হিসাবে ব্যবহার করে ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। লিথিয়াম ব্যাটারির প্রধান সুবিধা হ'ল পোর্টবিলিটি, যার অর্থ আমরা যেখানেই প্রয়োজন সেখানে নিতে পারি। এই ব্যাটারি থেকে অ্যাসিড ওভারফ্লোর কোনো চিন্তা নেই।

3.সোলার ইনভার্টার (Solar Inverters)

সোলার ইনভার্টার একটি এমন উপকরণ যা সোলার প্যানেল থেকে সরাসরি কারেন্ট (DC) কে অল্টারনেটিং কারেন্ট (AC) এ রূপান্তর করে। যার ব্য়বহার ঘরে এবং বাণিজ্যিক উপকরণ দ্বারা করাযায় । এটি সৌর শক্তি সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলির মধ্যে একটি কারণ এটি সূর্য থেকে শক্তিকে আরও ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করে এবং সোলার সিস্টেম এর মস্তিষ্ক হিসাবে উল্লেখ করা হয় । সোলার ইনভার্টারগুলি সৌর সিস্টেম এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ কারণ সূর্য থেকে পাওয়া বিদ্যুৎ সরাসরি বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলিতে ব্যবহার করা যায় না। ডিসি থেকে এসি রূপান্তরকারী বক্স হিসাবে শুরু করে, আজ, সোলার ইনভার্টারগুলি আরও স্মার্ট এবং বুদ্ধিমান ইউনিটে বিকশিত হয়েছে, অন্যান্য কার্য্য় যেমন ডেটা মনিটরিং, উন্নত ইউটিলিটি নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সম্পাদন করে ।

আপনি যদি বাড়ির জন্য ইনভার্টার কেনার যোজনা করছেন, তাহলে দুই ধরনের ইনভার্টার রয়েছে: নন-সোলার ইনভার্টার এবং সোলার ইনভার্টার। নন-সৌর ইনভার্টার কে সাধারণ ইনভার্টার  হিসাবেও পরিচিত এবং এর প্রারম্ভিক পরিসর রয়েছে 650VA – 1800VA এবং এর দামের পরিসীমা 3,500 টাকা থেকে 9,500 টাকা ব্র্যান্ড, কর্মক্ষমতা এবং ওয়ারেন্টির উপর নির্ভর করে । 

দ্বিতীয় ধরণের ইনভার্টার সোলার ইনভার্টার। একটি সৌর ইনভার্টার কেনার সুবিধা হল ব্যাটারি গ্রিড পাওয়ার পাশাপাশি সৌর শক্তি উভয়ই চার্জ করতে পারে। এর প্রারম্ভিক রেঞ্জ 1100VA - 2250VA বাজারে পাওয়া যায় এবং এর মূল্য  6,500 টাকা থেকে 9,500 টাকা। আপনি যদি পরিবারের জলের পাম্প, এয়ার কন্ডিশনার, ডিপ ফ্রিজার, চিকিৎসা সরঞ্জাম চালানোর জন্য একটি উচ্চ ক্ষমতার ইনভার্টার কেনার যোজনা করছেন, আপনি 3kW থেকে 10kW MPPT সোলার ইনভার্টার বেছে নিতে পারেন এবং এর দামের সীমা 45,000 টাকা থেকে 2,00,000 টাকা



বাংলাদেশে সোলার প্যানেলের দাম কত? Solar Panel Price In Bangladesh

বাংলাদেশে সোলার প্যানেলের দাম কত? Solar Panel Price In Bangladesh



বাংলাদেশে সোলার প্যানেল কেনাকাটা করার বিস্তারিত নিয়ম

সোলার প্যানেল সিস্টেম কি?

সোলার প্যানেল মূলত সরাসরি সূর্যের আলো থেকে নবায়যোগ্য বিদ্যুৎশক্তি উৎপাদন করতে পারে। যেই বিদ্যুৎ আমরা সরাসরি কোন ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রাংশ চালানোর কাজে ব্যবহার করতে পারি অথবা সেটি কোন ব্যাটারিতে সংরক্ষন করে পরবর্তীতে কাজে লাগাতে পারি।

সোলার প্যানেলের কিভাবে কাজ করে?

সোলার প্যানেলের প্রধান উপাদান হলো সোলার সেল এটিই মূলত সূর্য়ের আলো থেকে বিদ্যূৎ শক্তি উৎপাদন করতে পারে। সোলার সেলের আরেক নাম ফোটোভোলটাইক এখানে উল্লেখ্য যে ফটো বলতে লাইট এবং ভোলটাইক বলতে ইলেক্ট্রিসিটিকে বুঝানো হয়েছে। সোলার সেলগুলো সাধারণত এক ধরনের সেমি কন্ডাক্টর ধাতু দ্বারা তৈরি করা হয় যেমন জার্মেনিয়াম, সিলিকন, কার্বন সিলিকন কার্বাইড ইত্যাদি । এগুলো দ্বারা তৈরি সোলার সেলকে যখন সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আনা হয় তখন সেই আলো থেকে ফোটোভোলটাইক হালকা শক্তি ফোটন শোষণ করে নেয়। এর ফলে সেখানে কিছু ভোল্টের সৃষ্টি হয়ে থাকে আর এমন অনেকগুলো সেল যখন একত্রিত করা হয় তখন সবগুলো একসাথে অনেক বেশি ভোল্ট সৃষ্টি করতে পারে আর এভাবেই সোলার সেলের মাধ্যমে সোলার প্যানেল বিদ্যুশক্তি উৎপাদন করে থাকে।

কত ক্ষমতার সোলার প্যানেল দরকার?

বিভিন্ন ক্ষমতার ও সাইজের সোলার প্যানেল রয়েছে আপনারা আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্রয় করতে পারেন । তবে সমস্যাটা হয় তখন যখন আমাদের কার কতটুকু দরকার সেটা না জানা থাকে তাহলে চলুন একটা সাধারণ হিসাব বুজে নেই। ধরুন কোন ব্যক্তি দুইটা লাইট ও একটা ফ্যান চালাবে সোলার প্যানেল দ্বারা। ধরা যাক লাইট দুটির ক্ষমতা ১০ ওয়াট করে ২০ ওয়াট ও ফ্যানটির ক্ষমতা ২০ ওয়াট তাহলে মোট প্রয়োজন ৪০ ওয়াট। আমরা যদি প্রতিদিন ৬ ঘন্টা করে চালাতে চাই তাহলে মোট প্রয়োজন ৪০ * ৬ = ২৪০ ওয়াট। এর জন্য ব্যাটারি প্রয়োজন হবে ২৪০ / ১২ = ২০ এম্পিয়ার বা ১২ ভোল্টের ব্যাটারি। সোলার প্যানেলের লেড এসিড ব্যাটারির চার্জিং কারেন্ট ১০% । তাহলে ২০ এম্পিয়ার ব্যটারির চার্জিং কারেন্ট হবে ২০*১০/১০০ = ২ এম্পিয়ার আর ২ এম্পিয়ার কারেন্ট উৎপাদন করতে সোলার প্যানেল লাগবে ২*১২ = ২৪ ওয়াট। তারমানে এই ব্যক্তির ২৪ ওয়াটের সোলার প্যানেল লাগালেই তার বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করতে পারবে। এভাবেই আপনারা আপনাদের প্রয়োজন হিসাব করে সোলার প্যানেল ক্রয় করতে পারবেন।

সোলার প্যানেলের দাম কত?

বাংলাদেশে একটি সোলার প্যানেলের দাম প্রায় ৮,০০০ টাকা যা ৩০০ ওয়াট পর্যন্ত শক্তি আউটপুট দিতে পারে। প্যানেলের দাম সাধারণত মোট শক্তি, প্যানেলের গুণমান এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে।


বাংলাদেশের সেরা সোলার প্যানেল এর মূল্য তালিকা May, 2023
সোলার প্যানেল মডেল বাংলাদেশে দাম
Commercial 2KW On-Grid Solar Power Plant ৳ ১৬০,০০০
Commercial 1KW Solar Power Plant ৳ ৮০,০০০
Longi 550 Watt Solar Panel ৳ ৩২,৫০০
On Grid 1.5KW Solar Power System ৳ ১২০,০০০
Commercial 4KW Solar Power System ৳ ৩০০,০০০
Commercial 8KW Solar Power Plant ৳ ৬৪০,০০০
Commercial 5KW Solar Power Plant ৳ ৪০০,০০০
Commercial 10KW On Grid Solar Power Plant ৳ ৮০০,০০০
Solar Power System 1KW ৳ ১০০,০০০
Commercial 7KW Solar Power System ৳ ৫৬০,০০০