জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৩

পাতাসহ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০টাকা কেজি

পাতাসহ পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০টাকা কেজি


মো. রুবেল আহমেদ
হঠাৎ করেই পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি টক অফ দ্য টাউনে পরিনত হয়েছে। বাজারে ২০০টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি হওয়ায় অস্বস্তিকর পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে। এরমাঝে সুখবর হচ্ছে টাঙ্গাইলের গোপালপুরের ঝাওয়াইল ইউনিয়নের সোনামুই বাজারে পাতাসহ নতুন পেঁয়াজ  বিক্রি হচ্ছে ৩০থেকে ৪০টাকা দরে। পাইকারি ও খুচরা দুভাবেই পেঁয়াজ বিক্রি হয় এখানে।
সরেজমিনে ঘুরে জানা যায়, ভোর ৪টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত এই বাজারে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫০-২০০মন পেঁয়াজ বিক্রি হয়।  পুরো পৌষ মাসজুড়ে এখানে পাতাসহ পেঁয়াজ বেচাকেনা চলে।
স্থানীয়রা জানান, কুয়াশার কারণে যমুনার চরাঞ্চলের অধিকাংশ চাষীরা আগেরদিন বিকাল থেকেই পেঁয়াজ নিয়ে চলে আসে, এছাড়া মধ্যে রাত থেকেও অনেকে আসে। চরভরুয়া, চরসোনামুই, কবলিবাড়ী,  নরপাড়া রাধানাগর, বাশুরিয়া, পঞ্চাশী, কেরামজানি, রামাইলের চর, খাসবালিয়াবান্না এসব অঞ্চলের পেঁয়াজ বেশি আমদানি হয় এখানে।
পেঁয়াজ চাষী আনিসুর রহমান বলেন, বিঘাপ্রতি অন্তত ৬০মন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়, এতে খরচ হয় প্রায় ৩০হাজার টাকা। ১২০০ থেকে ১৬০০টাকা মন বিক্রি করা যায়। হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বেড়েছে তাই কাঁচা পেঁয়াজে ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে।

সোনামুই হাটের ইজারাদার আক্তার হোসেন জানান,
গাজীপুরের কালিয়াকৈর, টাঙ্গাইল, ধনবাড়ী, মধুপুর, কালিহাতী অঞ্চলের পাইকাররা এখানে কাঁচা পেঁয়াজ ও অন্যান্য কাঁচামাল কিনতে আসেন। প্রতিদিন অন্তত ২০০মন পেঁয়াজ আমদানি হয় এখানে।

ঝাওয়াইল ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান তালুকদার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সোনামুই বাজারের সার্বিক নিরাপত্তা মনিটর ও দেখভাল করা হয়। এলাকার কৃষকরা পেঁয়াজের বাজারে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমা আক্তার বলেন, উপজেলার ৬০হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে, গতবারের চাইতে এবারের ফলন বেশী । পাতাসহ কাঁচা পেঁয়াজ সোনামুই, ভেঙ্গুলা ও মুশুর্দি বাজারে বেশি বিক্রি হচ্ছে।

রবিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৩

আধুনিকতায় হারাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা

আধুনিকতায় হারাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা

 মো. রুবেল আহমেদ

যান্ত্রিকতার আধুনিক জীবনে 'ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল' শ্লোগানটি ভুলতে শুরু করেছে নতুন প্রজন্ম।

 'কানামাছি ভোঁ ভোঁ, যারে পাবি তারে ছোঁ' ভুলে শিশু কিশোররা মত্ত মুঠোফোন নিয়ে। অধিকাংশ শিশু কিশোররা জানেই না হাডুডু কি এবং এটা আমাদের জাতীয় খেলা।

বিভিন্ন গ্রামে একসময় বিকালে গ্রামীণ মানুষ দলবেঁধে হাঁডুডু, গোল্লাছুট, ঢাংগুলি, মারবেল, বৌছি, রশিটান, ইচিং-বিচিং, ওপেন টু বায়োস্কোপ, লাঠিখেলা, দাঁড়িয়াবান্ধা, লুকোচুরি, মোরগ লড়াই, কড়ি, ধাপ্পা, কুতকুত, এলাডিং বেলাডিং, সাত চাড়া ইত্যাদি খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকতো। এতে স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখার পাশাপাশি অপরের সাথে তৈরি হতো সুসম্পর্ক ও সম্প্রীতির বন্ধন। অথচ নতুন প্রজন্মের অধিকাংশ শিশু কিশোররা এসব খেলার সাথে পরিচিতই নয়।

এক সময় গ্রাম-গঞ্জে জমজমাট ও উৎসবমুখর পরিবেশে হতো ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা। প্রতিটি গ্রামে তৈরি হতো একাধিক হাডুডু খেলার দল। কয়েক গ্রামের বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে তৈরি হতো আলাদা দল, এরা অন্য ইউনিয়ন বা অন্য থানা এলাকায় হায়ারে খেলতে যেতো। সেরা খেলোয়াড়দের সমাজে থাকতো আলাদা নামডাক, সম্মান।

বর্তমানে শিশু কিশোর ও তরুণদের স্মার্টফোন হাতে দল বেঁধে আড্ডা দিতে দেখা যায়। এরা কেউ আসক্ত নিষিদ্ধ গেমসে, কেউবা ঢুকে পরছে ডার্ক ওয়েবে । 

এতে বাড়ছে সামাজিক অবক্ষয় ও তরুণরা অনলাইন জুয়াসহ নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ছে। 

চর চতিলা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব আব্দুর রশিদ জানান, জৈষ্ঠ্য ও অগ্রাহায়নে ধান কাটার পর খালি মাঠে প্রতিটি গ্রামেই উৎসবমুখর পরিবেশে হতো হাডুডু খেলা। হাজারো মানুষ আগ্রহ নিয়ে খেলা দেখতে যেতো। সমাজপতিরা এসব খেলার আয়োজন করতো। চ্যাম্পিয়নদের দেয়া হতো কাপ(ট্রফি), মেডেল ও শোনা যেতো জয়ধ্বনি। সাম্প্রতিক সময়ে এসব আয়োজন করলেই ঘটে উশৃংখলা ও মারামারির ঘটনা।

বিগত দশকে হাডুডু খেলার বড় প্রতিযোগিতা তেমন দেখা যায়নি।


গোপালপুর সরকারি কলেজের সাবেক জিএস মারুফ হাসান জামী বলেন, ছোট বেলায় দেখতাম আমাদের গ্রামে হাডুডু খেলার আয়োজন হলে ঈদের মতো ইমেজ তৈরি হতো। আমার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তিনিও সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। 

আমরা সন্তানদের ধুলাবালি থেকে দুরে রাখতে পছন্দ করি, তাই এসব খেলার প্রতি নতুন প্রজন্মের অনাগ্রহ সৃষ্টি হওয়ায় ঐতিহ্যবাহী হাডুডু খেলা বিলুপ্তির পথে।


গোপালপুর সুতি ভিএম পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীরচর্চা ও ক্রীড়া শিক্ষক গোলাম রায়হান বাপন বলেন, আগের মানুষ ছিলো কর্মঠ ও শক্তিশালী ছিল তাই গ্রামীণ খেলাধূলা টিকিয়ে রেখেছে। এখনকার ছেলেমেয়েরা মোবাইলে বেশি আসক্ত তাই আধুনিক খেলায় আগ্রহী বেশী। স্কুল পর্যায়ে কাবাডি খেলায় উপজেলার হাতেগোনা দুই একটা দল ছাড়া অংশ নিতে চায় না।


বুধবার, ১০ আগস্ট, ২০২২

সাগরে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা,  লঘুচাপ সৃষ্টি

সাগরে জলোচ্ছ্বাসের শঙ্কা, লঘুচাপ সৃষ্টি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুস্পষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের উপকূলীয় ১৫টি জেলায় জলোচ্ছ্বাসের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১০ আগস্ট) আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত বিশেষ সতর্কতা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওড়িশা উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত স্থল নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে বর্তমানে ভারতের ছত্রিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য বিরাজ করছে। সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

দেশের চারটি সমুদ্রবন্দর-চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সুস্পষ্ট লঘুচাপ ও বায়ুচাপের পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোর নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুট অধিক উচ্চতার বায়ুতাড়িত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, বুধবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়।

মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট, ২০২২

ডলার কারসাজি: ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ

ডলার কারসাজি: ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ

প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়ায় ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে পাঁচটি দেশি এবং একটি বিদেশি ব্যাংক।


দেশি পাঁচ ব্যাংক হচ্ছে- ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ও সাউথইস্ট ব্যাংক। আর বিদেশি ব্যাংকটি হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

সোমবার (৮ আগস্ট) ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম সোমবার রাতে বলেন, ‘ট্রেজারি অপারেশনে অতিরিক্ত মুনাফা করায় বেসরকারি পাঁচটি এবং একটি বিদেশি ব্যাংকের ট্রেজারির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ডলার সংরক্ষণ করে দর বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়ায় জরুরিভিত্তিতে ওই ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানকে অপসারণ করতে সোমবার সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।’

এদিকে কিছুদিন ‘স্থির’ থাকার পর যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে আরও ৩০ পয়সা দর হারিয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকা। আন্তব্যাংক মুদ্রাবাজারে সোমবার এক ডলারের জন্য খরচ করতে হয়েছে ৯৫ টাকা।

এর আগে সবশেষ ২৫ জুলাই ডলারের বিপরীতে টাকার মান ২৫ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯৪ টাকা ৭০ পয়সা।

অন্যদিকে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে সোমবার ডলারের দর উঠেছে ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা।

রবিবার, ৭ আগস্ট, ২০২২

বাড়লো বাস ভাড়া দূরপাল্লায় ৪০পয়সা মহানগরে ৩৫পয়সা

বাড়লো বাস ভাড়া দূরপাল্লায় ৪০পয়সা মহানগরে ৩৫পয়সা

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাড়ানো হলো বাস ভাড়া। সব মহানগরে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ৩৫ পয়সা বাড়ানো হয়েছে। আর দূরপাল্লার বাসে বেড়েছে ৪০ পয়সা।

রোববার (৭ আগস্ট) থেকে নতুন এ ভাড়া কার্যকর হবে।

পরিবহন ভাড়া সমন্বয় করে চলাচলের বিষয় পরিবহন নেতা ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) বৈঠক শেষে শনিবার রাতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিআরটিএর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারের জন্য যাত্রী প্রতি ভাড়া ৪০ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ২০ পয়সা। আর মহানগরে প্রতি কিলোমিটারের জন্য ৩৫ পয়সা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ টাকা ৫০ পয়সা। এছাড়া বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ টাকা, মিনিবাসে ৮ টাকা।

এর আগে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর বনানীর বিআরটিএর চেয়ারম্যান কার্যালয়ে এই বৈঠক শুরু হয়। চলে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। পরে ব্রিফ করেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী এবং বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে আমরা আজ বাসভাড়া পুনঃনির্ধারণী বৈঠক করেছি। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় বাড়ায় বাসের বিভিন্ন সামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির কারণেও বাস মালিকদের কিছু দাবি ছিল। বৈঠকে সবার আলোচনা পর্যালোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, এখন থেকে মহানগর পর্যায়ে কিলোমিটারে বাসে ২ টাকা ৫০ পয়সা, মিনিবাসে ২ টাকা ৪০ পয়সা ভাড়া হবে। দূরপাল্লার বাসে ভাড়া হবে কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ২০ পয়সা।

এর আগে ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে সর্বশেষ দূরপাল্লার বাস ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ১ টাকা ৮০ পয়সা করা হয়েছিল এবং মহানগরে বাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা করা হয়েছিল।